দোকান বাকির খাতা, ফোনে
বাকির হিসাব খাতা — কে কত বাকি, এক নজরে
বাকির হিসাব খাতা কাগজে রাখলে যোগ-বিয়োগ আপনাকে করতে হয়, আর পাতা হারালে টাকাও হারায়। হালখাতায় বাকিতে বিক্রি করলেই খদ্দেরের খাতায় ওঠে, টাকা দিলে কমে — হিসাব সবসময় ঠিক।
বাকির হিসাব রাখার অ্যাপ যেভাবে কাজ করে
- বাকিতে বিক্রি লিখুন। বিক্রির সময় খদ্দেরের নাম বেছে নিন — যতটা দিল না, ততটা তার খাতায় ওঠে।
- টাকা দিলে “টাকা নিন”। বাকি কমে, আর টাকাটা ক্যাশে, বিকাশে বা নগদে যোগ হয়।
- বেশি দিলে জমা। বাড়তি টাকা খদ্দেরের নামে জমা থাকে, পরের বাকি থেকে নিজে কাটে।
- শোধ হলে “হিসাব পরিষ্কার”। তালিকায় দেখেই বোঝা যায়, কার সঙ্গে আর লেনদেন বাকি নেই।
কাগজের দোকান বাকির খাতার সঙ্গে তফাত
-
যোগ-বিয়োগ নিজে
পাতা উল্টে যোগ করতে হয় না। কার কাছে কত, আর সব মিলিয়ে কত পাওনা — উপরেই লেখা।
-
খুঁজে পাওয়া সহজ
নাম বা নম্বর লিখলেই খদ্দের। “বাকি আছে” চাপলে শুধু যাদের কাছে টাকা পাবেন।
-
তর্ক কম
কোন দিন কী নিয়েছিল, তারিখ আর রসিদ নম্বরসহ দেখানো যায়। রসিদ হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোও যায়।
-
হারায় না
খাতা ভিজে গেলে বা ফোন হারালেও হিসাব সার্ভারে থাকে। নতুন ফোনে ঢুকলেই সব।
বাকির খাতা নিয়ে প্রশ্ন
বাকির হিসাব খাতা কী?
যে খাতায় দোকানদার লিখে রাখেন কোন খদ্দের কত টাকার মাল বাকিতে নিল আর কবে কত শোধ করল। হালখাতায় এই খাতা নিজে যোগ-বিয়োগ করে, তাই কার কাছে কত বাকি সবসময় ঠিক থাকে।
খদ্দের বাকির চেয়ে বেশি টাকা দিলে কী হয়?
বাড়তি টাকাটা খদ্দেরের নামে জমা থাকে। পরের বার বাকিতে কিনলে সেই জমা থেকে নিজে কেটে যায়।
বাকি আদায় হলে ক্যাশেও কি ওঠে?
ওঠে। টাকা নিলে বাকি কমে আর যে ঘরে টাকা এল — ক্যাশ, বিকাশ বা নগদ — সেখানে যোগ হয়।
আজ থেকেই বাকি ফোনে লিখুন
আজকের প্রথম বাকির বিক্রি থেকে হিসাব নিজে চলবে।